Channel786 is a Community News Network
অস্থায়ী অভিবাসন আবেদনের সময় বাড়ছে
অস্থায়ী অভিবাসন আবেদনের সময় বাড়ছে

যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় আবেদনের জন্য মিয়ানমারসহ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। ৩ আগস্ট মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, মিয়ানমার, সিরিয়া ও ভেনেজুয়েলার নাগরিকদের জন্য আগের নিয়মে ১৮০ দিনের মধ্যে আবেদনের পরিবর্তে ১৮ মাসের জন্য সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। টেম্পোরারি প্রোটেকশন স্ট্যাটাস (টিপিএস) নামের কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অস্থায়ী অভিবাসন সুবিধা দেওয়া হয়ে থাকে। রাজনৈতিক বা প্রাকৃতিক কোনো কারণে বিপন্ন দেশগুলো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেওয়া এসব অভিবাসীদের কাজের অনুমতি দেওয়া হয় এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় তাঁদের অস্থায়ী অভিবাসনের মেয়াদও বৃদ্ধি করা হয়।

ইমিগ্রেশনে নথি জমার সময় ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত
ইমিগ্রেশনে নথি জমার সময় ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

করোনার কারণে দুনিয়াজুড়ে সব কাজেই কিছুটা ধীরগতি এসেছে। অনেক কিছুই নির্ধারিত সময়ে হয়নি। সেই ভয়াবহ অবস্থা পার করে এখন আস্তে আস্তে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, সবকিছু স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। করোনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাতেও কিছুটা ধীরগতি এসেছিল। তবে কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছে সবকিছু স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসার। এ কারণে তারা অনেক কাজ দ্রুত করে মানুষকে সেবা দিতে চাইছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নিচ্ছে। করোনার কারণে যারা ইউএসসিআইএসে সময়মতো নথিপত্র জমা দিতে পারেননি, তাদের নথি জমা দেওয়ার সময় চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

সিটিজেনশিপ নিয়ে দুশ্চিন্তার অবসান হচ্ছে
সিটিজেনশিপ নিয়ে দুশ্চিন্তার অবসান হচ্ছে

আমেরিকায় সিটিজেনশিপ পাওয়া নিয়ে অনেকের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। সিটিজেনশিপের আবেদন করলে তা অ্যাপ্রুভ নাকি ডিনাই হবে কিংবা পরীক্ষায় পাস করতে পারবেন কি না, পাস না করলে কী হবে- এ নিয়ে অনেকের মধ্যে নানা রকম ভয় ও দুশ্চিন্তা কাজ করে। তবে সিটিজেনশিপ নিয়ে দুশ্চিন্তার অবসান হতে চলেছে। সিটিজেনশিপ পাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব বাধা রয়েছে, সেগুলো দূর করার উদ্যোগ নিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। এতে অনেকেই আশার আলো দেখছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের শেষ সময়ে সিটিজেনশিপ পরীক্ষা কিছুটা কঠিন করা হয়েছিল। পরীক্ষার ১০০টি প্রশ্নের জায়গায় ১২৮টি প্রশ্নের নিয়ম করা হয়েছিল। সেই সাথে এমনও নিয়ম করা হয়েছিল, কেবল প্রশ্নের উত্তর দিলেই হবে না, অফিসার চাইলে ইন্টারভিউয়ের সময় অনেক প্রশ্নের ব্যাখ্যা চাইতে পারতেন কিংবা বিস্তারিত জানতে চাইতে পারতেন। ওই সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে না পারলে পরীক্ষায় পাস করা অনেকের পক্ষে সম্ভব হতো না। কিন্তু বাইডেন প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর ওই নিয়মের পরিবর্তন করে। ২০০৮ সালের নিয়ম অনুযায়ী ১০০টি প্রশ্নের পরীক্ষা ফের চালু করে। কেবল সীমিত সময়ের জন্য ২০২০ সালের পরীক্ষার নিয়মটি চালু রাখা হয়।